বুধবার , ২২ এপ্রিল ২০২৬ | ৩রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. ইতিহাস
  4. কৃষি ও প্রকৃতি
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্যপ্রযুক্তি
  8. দেশজুড়ে
  9. ধর্ম
  10. বিনোদন
  11. মুন্সীগঞ্জ
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা

বালাই দমনে ‌‘ককটেল স্প্রে’ কৃষির জন্য মরণফাঁদ

প্রতিবেদক
sbggr
এপ্রিল ২২, ২০২৬ ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশের কৃষি আজ নানা সম্ভাবনার পাশাপাশি বহুমুখী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত বীজ ও বৈজ্ঞানিক চাষাবাদের প্রসার যেমন কৃষিকে এগিয়ে নিচ্ছে; তেমনই অপরিকল্পিত ও অজ্ঞতাপ্রসূত কিছু চর্চা কৃষির জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম একটি হলো, বালাই দমনে ‘ককটেল স্প্রে’ ব্যবহার। কৃষকেরা বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক, ছত্রাকনাশক, মাকড়নাশক, হরমোন ও মাইক্রো-নিউট্রিয়েন্ট একসাথে মিশিয়ে নতুন ধরনের স্প্রে তৈরি করছেন, যাকে তারা ‘ককটেল’ নামে অভিহিত করছেন। এই প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে, যা কৃষির জন্য এক নীরব মরণব্যাধিতে পরিণত হচ্ছে।

ককটেল স্প্রে কী এবং কেন এটি বিপজ্জনক

ককটেল স্প্রে বলতে বোঝায় একাধিক কৃষি রাসায়নিককে একসাথে মিশিয়ে তৈরি একটি অনির্ধারিত ও পরীক্ষাবিহীন মিশ্রণ। সাধারণত কৃষকেরা মনে করেন, একাধিক বালাইনাশক একসাথে প্রয়োগ করলে সব ধরনের পোকা-মাকড় ও রোগ একবারেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ উল্টো। প্রতিটি রাসায়নিকের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য, কার্যপ্রণালি ও প্রতিক্রিয়া থাকে। এগুলো একসাথে মেশালে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে নতুন যৌগ তৈরি হতে পারে, যা গাছের জন্য ক্ষতিকর, এমনকি পুরো ফসল নষ্ট করে দিতে পারে।

ইতিহাস থেকে শিক্ষা: ডিডিটির অভিশাপ

একসময় শক্তিশালী কীটনাশক হিসেবে ডিডিটি ব্যবহৃত হতো। এটি আবিষ্কারের জন্য ১৯৪৮ সালে সুইস বিজ্ঞানী পল হারম্যান মুলার নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই কীটনাশক অসংখ্য প্রাণ রক্ষা করেছিল। কিন্তু পরে দেখা যায়, এটি পরিবেশ ও মানবস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ফলস্বরূপ, বিশ্বের অধিকাংশ দেশে এটি নিষিদ্ধ করা হয়। এ ইতিহাস আমাদের শেখায়, যে কোনো রাসায়নিকের অন্ধ ব্যবহার দীর্ঘমেয়াদে ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। ককটেল স্প্রে ঠিক সেই একই ঝুঁকির দিকে আমাদের ঠেলে দিচ্ছে।

কৃষকেরা কেন ককটেল স্প্রে ব্যবহার করছেন

কৃষকদের এই প্রবণতার পেছনে কয়েকটি বাস্তব কারণ রয়েছে—
অনুকরণপ্রবণতা: গ্রামের এক কৃষক যদি দেখেন অন্য কেউ ককটেল ব্যবহার করে ভালো ফল পাচ্ছেন (যদিও তা সাময়িক হতে পারে); তখন সে-ও একই পদ্ধতি অনুসরণ করে।

সঠিক রোগ নির্ণয়ের অভাব: অনেক কৃষক কিংবা বালাইনাশক বিক্রেতা সঠিকভাবে রোগ বা পোকা শনাক্ত করতে পারেন না। ফলে তারা ‘সবকিছু একসাথে দিলে কিছু না কিছু কাজ করবে’—এ ধারণা থেকে একাধিক রাসায়নিক মিশিয়ে ব্যবহার করেন।

বিক্রেতাদের প্রভাব: কিছু অসাধু বিক্রেতা বিক্রি বাড়ানোর জন্য কৃষকদের একাধিক পণ্য একসাথে ব্যবহারের পরামর্শ দেন। এতে তাদের বিক্রি বাড়ে, কিন্তু কৃষকের ক্ষতি হয়।

খরচ ও সময় বাঁচানোর চেষ্টা: স্প্রে করার শ্রম খরচ বেশি হওয়ায় কৃষকেরা একবারেই সবকিছু প্রয়োগ করতে চান। বিশেষ করে হাওর অঞ্চলে দূর থেকে পানি এনে স্প্রে করতে হয়, তাই একবারেই কাজ শেষ করার প্রবণতা থাকে।

সর্বশেষ - মুন্সীগঞ্জ

আপনার জন্য নির্বাচিত

লৌহজংয়ে মাদকের টাকা না পেয়ে যুবকের আত্মহত্যা

মানুষের যে কাজ দেখে শয়তান দূর থেকে কাঁদে

প্রশ্নফাঁস ও গুজব রোধে সাইবার নজরদারি ও ট্র্যাকিং জোরদার হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

মুন্সীগঞ্জে চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট পরিমাণ তেল মজুত রয়েছে : ডিসি

কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে রেকর্ড গড়ল মোংলা বন্দর

বিধর্মীদের মোকাবেলায় দীন-ইসলামের স্বার্থে সমস্ত মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি: ছারছীনার পীর ছাহেব

নির্ধারিত সময় শেষে ১৯ মিনিট পর মনোনয়নপত্র জমা দেন নুসরাত

ইউজিসি’র প্রকল্পসমূহের বাহুল্য খরচ কমাতে হবে: ইউজিসি চেয়ারম্যান

ঢাবিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ শুরু

সংরক্ষিত নারী আসনে স্থান করে নিয়েছেন আন্না মিনজ